বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে সামরিক ট্রেনিং দিয়ে প্রস্তুত করা হবে যুদ্ধের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ছাত্র যেনো রাইফেল চালাতে জানে সেই ব্যবস্থাও করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে ‘পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষক ভারত সরকার ও তাদের মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবিরাম মিথ্যা প্রচারণা এবং ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
একটি জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে হাফিজ উদ্দিন বলেন সাধারণ মানুষ যুদ্ধ করে এই দেশের স্বাধীনতাকে অক্ষুণ্ন এবং দেশের সার্বভৌমত্বকে সঠিক ও যেকোনো কালিমামুক্ত রাখবে, এটাই হলো আমাদের শপথ।
তিনি বলেন, ভারতীয় মিডিয়া কাল্পনিক কাহিনী ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে যে, এখানে হিন্দুদের ওপর অন্যায়-অবিচার ও নির্যাতন করা হচ্ছে। এ ধরনের কাল্পনিক কাহিনী ছড়িয়ে তারা বিশ্ববাসীকে দেখাতে চায় যে, বাংলাদেশে কারও জীবন নিরাপদ নয়। আমরা এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, ভারত যদি যুদ্ধ শুরু করে তাহলে এই যুদ্ধ তাদের দেশে গিয়েই শেষ হবে। আমরা দেশের প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে যুদ্ধের জন্য সামরিক ট্রেনিং দিয়ে প্রস্তুত করে তুলবো। প্রত্যেকটি ছাত্র যেনোও রাইফেল চালাতে জানে। আমরা তাদের ফিল্ডক্রাফট মিলিটারি ট্রেনিং দেবো। যাতে করে কেউ যেনোও বাংলাদেশের মানুষের দিকে রক্তচক্ষু নিয়ে তাকাতে না পারে। আমরা যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছি, চিরকাল জয়ী হবে বাংলাদেশ।
মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন বলেন, কোনও ভারতীয় দালাল এই বাংলাদেশে থাকতে পারবে না। এখন আর কথা বলার সময় নাই এখন ডাইরেক্ট অ্যাকশনে যাওয়ার সময় বলেও জানিয়েছেন তিনি।