স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ভারতীয় কিছু মিডিয়া মিথ্যা প্রচারে চ্যাম্পিয়ন। তাদের উদ্দেশ্যই হচ্ছে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ানো। তবে বাংলাদেশের মিডিয়াকে সত্য প্রকাশের মাধ্যমে এর জবাব দিতে হবে এবং গুজব প্রতিরোধ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সহিংসতার মূল কারণ চাঁদাবাজি। এটি বন্ধ না করা গেলে সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, “কোট-সুট পরা কিছু লোক বড় বড় কথা বলে এসব সমস্যাকে জিইয়ে রাখে। তবে কোনো অবস্থাতেই চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বরদাশত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এদিন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাকে সঙ্গে নিয়ে রাঙামাটির বাঘাইহাটে ৫৪ বিজিবির ব্যাটালিয়ন ও সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন পরিদর্শন করেন। পরে সাজেকের ২৭ বিজিবি বিওপিতে গিয়ে স্থানীয় হেডম্যান (মৌজা প্রধান) ও কারবারিদের (পাড়া প্রধান) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।
পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে, আগুন নির্বাপনের ব্যবস্থা জোরদার করতে সেখানে অস্থায়ীভাবে একটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জান সিদ্দিকী, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ ও পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এই বক্তব্য ও নির্দেশনার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকারের দৃঢ় অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট হলো।