কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি বা পুনঃভর্তি ফি নেওয়া যাবে না—আদালতের এ নির্দেশনা অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি ভিন্ন কৌশলে ফি আদায়ের চেষ্টা করে এবং তার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
এমপিও (মান্থলি পে-অর্ডার) সংক্রান্ত প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এর আগে তড়িঘড়ি করে যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল। বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সাত কলেজ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে এখনো নথিপত্র দেখার সুযোগ হয়নি। একটি কমিটি গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। পর্যালোচনা শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জবাবদিহিতা জোরদারের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ প্রকাশ করে। নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একবার ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কোনোভাবেই পুনঃভর্তি ফি আদায় করা যাবে না।


