থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আজ শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শুরু হয়েছে।

ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির পর ব্যাংককের অভিজাত সাংরিলা হোটেলে স্থানীয় সময় দুপুরের পর দুই প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ এই নেতারা বৈঠকে বসেন। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
গত ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কিছুটা জটিলতার মধ্যে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দুই নেতার আলোচনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এই বৈঠক আঞ্চলিক সহযোগিতা, রাজনৈতিক সমঝোতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে।


এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার, বিমসটেক সম্মেলনের অংশ হিসেবে আয়োজিত নৈশভোজে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির প্রথমবার সাক্ষাৎ হয়। সম্মেলনের আয়োজক থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই নৈশভোজে দুই নেতা একই টেবিলে পাশাপাশি বসে কুশল বিনিময় করেন এবং দীর্ঘসময় আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন।
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গতকাল সকালে ব্যাংকক পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস। এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিমসটেকের পরবর্তী সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, যা দেশটির কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আজকের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের গভীর আগ্রহ রয়েছে, বিশেষ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অভিন্ন নদীর পানি ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে।