ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে নিয়োগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
রোববার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রথম মামলাটি টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেল (টিএফআই সেল)-এ গুমের ঘটনায় করা হয়েছে। মামলায় মোট ১৭ জন আসামি, যাদের মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এই আসামিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় র্যাবের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন, প্রথম সাতজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক, শেষ তিনজন র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। মামলায় শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ সাতজন পলাতক।
দ্বিতীয় মামলাটি জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি)-এ গুমের ঘটনায় দায়ের করা হয়েছে। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি, যার মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার। তারা হলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। এই মামলায়ও শেখ হাসিনা ও তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ১০ জন পলাতক।


