ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ফলাফল প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবে মিডিয়া, বিভিন্ন এজেন্সি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান একযোগে এ কাজে যুক্ত ছিল।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত তিনটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যা থেকেই দেশের বিভিন্ন আসনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন দেখা যায়। একই সঙ্গে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে অনেক আসনে জনগণের রায় বদলানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও লেখেন, এর অংশ হিসেবে ঢাকা-৮, ১৩ ও ১৭সহ দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল আটকে রেখে জনরায় পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছে, যার প্রমাণ স্পষ্ট। পাশাপাশি ঢাকা-৪ ও ১৬ আসনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরও তা স্থগিত রাখা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সাদিক কায়েমের অভিযোগ, এখনো সব আসনের ফল ঘোষণা না হলেও প্রথম সারির কিছু জাতীয় গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলকে ২০০টির বেশি আসনে বিজয়ী হিসেবে প্রচার করেছে, যা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো করেছে।
ফেসবুক পোস্টে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি আসনের সঠিক ফলাফল জাতির সামনে প্রকাশ করা উচিত। তাঁর ভাষায়, জুলাই বিপ্লবের পর আরেকটি ‘সাজানো নির্বাচন’ আয়োজন করে একটি দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা জুলাইয়ের শহীদদের চেতনার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।


