আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আজ থেকে সারাদেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
রোববার বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত সেলের সঙ্গে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের আগে ও চলাকালে কোনো প্রার্থী যদি দলীয় প্রভাব খাটায় বা অনিয়মে জড়িত থাকে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে এসব বিষয় গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, এখন থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্ত এলাকা পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হবে। কোনো প্রার্থী যদি রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করার চেষ্টা করে বা ভোটের কাজে যুক্ত করতে চায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া—এই তিনটি দ্বীপসহ পুরো কক্সবাজার জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মতবিনিময় সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের স্বার্থে সবাইকে স্বাধীনভাবে, নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ধরনের চাপ বা প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


