বগুড়ার শেরপুরে অনলাইনে ভূমির খাজনা পরিশোধের নামে এক গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন শেরপুর পৌর ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মো. আব্দুস সালাম।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী যুবক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শেরপুর পৌর শহরের সান্যালপাড়া এলাকার সৌরভ অধিকারী শুভ তার পৈতৃক সম্পত্তির (পরিমাণ ২.৩৩ শতাংশ) অনলাইন খাজনা দিতে সংশ্লিষ্ট পৌর ভূমি অফিসে যান।
সেখানে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তার কাছে খাজনা বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন। দরকষাকষির পর ওই কর্মকর্তা তার কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে সৌরভের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা গ্রহণ করেন।
টাকা গ্রহণের পর সৌরভের হাতে মাত্র ২৭৮ টাকার একটি অনলাইন খাজনার রশিদ ধরিয়ে দেওয়া হয়। রশিদের বাইরের অতিরিক্ত ১ হাজার ৭২২ টাকা নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে কর্মকর্তা সেটিকে অফিসিয়াল বিবিধ খরচ হিসেবে দাবি করেন।
ভুক্তভোগী সৌরভ অধিকারী শুভ বলেন, “নির্ধারিত খাজনার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। আমি এই দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।”
তবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম। তিনি দাবি করেন, “সবকিছু এখন অনলাইনেই হয়, আমি শুধু অনুমোদন দেই। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “অভিযোগটি আমি পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


