দেশের বাজারে আবারও কমানো হলো স্বর্ণের দাম। টানা তৃতীয় দফায় স্বর্ণের মূল্য কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে কমেছে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ দাম ঘোষণা করে সংগঠনটি। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম শনিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশে এখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ কিনতে খরচ হবে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা।
১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরিতে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।
এর আগে গত ১৩ মার্চও স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের ভরি ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ছিল ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা।
সবশেষ সিদ্ধান্তসহ দেশের বাজারে টানা তিন দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে মোট ৮ হাজার ১৬৫ টাকা। সাম্প্রতিক পাঁচবারের দাম সমন্বয়ের মধ্যে তিনবারই কমানো হয়েছে স্বর্ণের মূল্য।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে ৪৩ বার। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বেড়েছে, আর কমেছে ১৭ বার।
অন্যদিকে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছরে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের পাশাপাশি এবার কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ২৯২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা।
২১ ক্যারেটের রুপার ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ভরিতে ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ২৭ বার। এর মধ্যে ১৬ বার দাম বেড়েছে এবং ১১ বার কমেছে।
আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার; যেখানে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।


