ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ আর বাঁচতে পারলেন না, এমন দাবি করেছে পরিবার ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা।
সংস্থা বলছে, মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ হামলায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) গুরুতর আহত বাঘেরজাদেহ দীর্ঘ কয়েকদিন কোমায় থাকার পর মারা গেছেন। এনডিটিভি ও এপি-সহ আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো এই খবর জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ওই বিমান হামলায় আলী খামেনিও নিহত হয়েছেন, ইরানি সরকারি গণমাধ্যমের বরাতে এমন খবর বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ পায়। একই ঘটনায় খামেনির মেয়ে, নাতি ও জামাইও মারা গেছেন বলে বলা হচ্ছে, যদিও সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি।
ভারতীয় সংবাদদাতা সংস্থা এপি-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর থেকে বাঘেরজাদেহ কোমায় ছিলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বর্তমানে ইরানের পক্ষ থেকে ঘটনার সম্পর্কে কোনো রশিদ বা আনুষ্ঠানিক দাফন-সংক্রান্ত তথ্য মেলেনি।
খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ সাধারণত জনসাধারণের সামনে খুব কম সময়েই দেখা গিয়েছিলেন। তিনি ও খামেনির বিয়ে হয়েছিল ১৯৬৪ সালে; তাদের একটি বড় পরিবার—ছয় সন্তান ও নাতি-নাতনী রয়েছে। দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সাধারণত গোপন রাখা হতো এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রকাশ্যে খুব কম অভিনয় করতেন।
এই ঘটনাকে ঘিরে ইরানের সরকারি কণ্ঠস্বর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত বার্তা না আসায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোই এ মুহূর্তে পরিবার সূত্রে পাওয়া তথ্য প্রকাশ করছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি পরিষ্কার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।


