অন্বেষণ ডেস্ক : আবু সাঈদ হত্যা মামলায় তিনি গুলিতে মারা যাননি বলে দাবি করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। তার মতে, আবু সাঈদের মৃত্যু অন্য কোনো কারণে হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এদিন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন। এর আগে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়।
আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু কনস্টেবল সুজনসহ তিনজনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, আবু সাঈদের ওপর ব্যবহৃত রাবার বুলেট বা পিলেটস ত্বকের জন্য ক্ষতিকর ছিল না। প্রসিকিউশন এ বিষয়ে কোনো যুক্তি খণ্ডন করেনি। এর অর্থ দাঁড়ায় আবু সাঈদ গুলিতে মারা যাননি। তিনি মাথায় আঘাতে মারা গিয়ে থাকতে পারেন। কারণ তার পরিহিত গেঞ্জিতে কোনো ছিদ্র পাওয়া যায়নি।
আইনজীবী দাবি করেন, আদালতে দাখিলকৃত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনটিও ত্রুটিপূর্ণ। এতে সিভিল সার্জনের কোনো স্বাক্ষর নেই। এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তা গেঞ্জিতে ছিদ্র না থাকার বিষয়টি জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন। প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে পারেনি গেঞ্জির অংশটি সামনের না পেছনের। এই সন্দেহের সুবিধা আসামিরা পাবেন বলে তিনি মনে করেন। আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাত প্রমাণে এক্স-রে বা রেডিওস্কপি করা হয়নি। শরীরে গুলির কোনো কার্তুজও জব্দ করা হয়নি।
চিকিৎসক ময়নাতদন্তে মন্তব্য পরিবর্তনে বাধার কথা বললেও এক্স-রে করতে বাধার কথা বলেননি। তাই চিকিৎসকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী। তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা বর্তমান আসামিরা খালাস পাবেন। ভিডিওতে দেখা যাওয়া ছয় পুলিশ সদস্যকে আইনের আওতায় আনা উচিত। তাদের বিচার হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। বর্তমানে আলোচিত এই মামলাটি রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।


