বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ ভোট’-এর সমর্থন দেখালেও তারা বাস্তবে আন্তরিক নয়। জামায়াত ক্ষমতার জন্য নয়, বরং পুরো জাতিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য রাজনীতি করছে। ‘হ্যাঁ’ ভোটে বাংলাদেশ জিতবে, ‘না’ ভোটে হেরে যাবে, এজন্য সবাইকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং পরে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি বলেন, যেখানে মা-বোনদের সম্মান ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে, সেখানে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে নারীর কল্যাণের কথা বললেও নির্বাচনী মাঠে তাদের কর্মীরাই নারী কর্মীদের লাঞ্ছিত করছে।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, ক্ষমতায় এলে বেকারত্ব দূরীকরণ ও জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। নারীদের শুধু ফ্যামিলি কার্ড না দিয়ে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করা হবে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও যোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে জামায়াত অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আপসহীন থাকবে। যশোর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, জনগণের পক্ষে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কাউকে আইন নিজের হাতে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
জনসভায় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হবে তরুণদের বাংলাদেশ।”


