বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ পেয়েও সেটিকে কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১০২ রানেই গুটিয়ে যায় লিটন দাসের দল।
শুরুর দিকে অবশ্য ভিন্ন চিত্র ছিল। ৬.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন বাংলাদেশের রান ছিল ৫০। এরপর বৃষ্টিতে খেলা থেমে গেলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে দাঁড়ায় ১৫ ওভারে। হাতে ৭ উইকেট রেখে বাকি ওভারগুলোতে দ্রুত রান তোলার সুযোগ থাকলেও সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
বৃষ্টি বিরতির পর ব্যাটিংয়ে ফিরে লিটন দাস ও তৌহিদ হৃদয় ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন। হৃদয় কিছুটা আগ্রাসী হয়ে ৩১ রান করলেও দলকে বড় সংগ্রহে নিতে পারেননি। লিটন ২৬ রান করে ফিরলে মাঝের সারিতে আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি।
ওপেনিংয়ে নেমে সাইফ হাসান ১৬ রান করেন। তবে বাকিদের কেউ দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারও পূর্ণ করতে পারেনি বাংলাদেশ, ৪ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে যায় দলটি।
নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে জশ ক্লার্কসন ছিলেন সবচেয়ে সফল। মাত্র ৯ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া বেন সিয়ার্স ও নাথান স্মিথ দুটি করে উইকেট তুলে নেন।
এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রামে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। তবে এই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় ধাক্কা খেল স্বাগতিকরা।


