অন্বেষণ

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ বাংলা সংবাদ

Sponsored Link

স্বাধীনতা ও গণহত্যা দিবসে আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধের নির্দেশ

অন্বেষণ ডেস্ক
অন্বেষণ ডেস্ক
|
প্রকাশিত: ২৩ মার্চ, ২০২৬
|
পড়ার সময়: মিনিট
অক্ষরের আকার:

অন্বেষণ ডেস্ক : আসন্ন ২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা না করার ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২৬ এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে কোনো অবস্থাতেই আলোকসজ্জা করা যাবে না।

মূলত চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং দেশব্যাপী খরচ কমানোর অংশ হিসেবে এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গত ৮ মার্চ পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনার কথা স্পষ্টভাবে জানানো হয়।

Sponsored Link

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভাতেই আসন্ন স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের বিভিন্ন দিক এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উক্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সরকার সব ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হওয়ার নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Sponsored Link

ফলে, অন্যান্য বছর স্বাধীনতা দিবস বা গণহত্যা দিবসে সরকারি ও বেসরকারি ভবনে যে বর্ণিল আলোকসজ্জা দেখা যেত, এবার তা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকছে। সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ২৫ মার্চ কালরাতের নির্মম হত্যাযজ্ঞে নিহত শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে সেই রাতের শোকাবহ ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে আলোকসজ্জা থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

Sponsored Link

পাশাপাশি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনকেও সরকারের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সতর্ক দৃষ্টি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ যেন নির্দেশ অমান্য করে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করেন, সে বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

তাছাড়া, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের মূল চেতনাকে সমুন্নত রাখতে অন্যান্য সব ধরনের আয়োজনে কোনো কমতি রাখা হবে না। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি ও শৃঙ্খলা মেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে।

Sponsored Link

সেই সাথে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা ও নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার ওপর সরকার এবার সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে।

দেশের সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সরকারের এই খরচ কমানোর উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শামিল হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

Sponsored Link
ট্যাগসমূহ
Sponsored Link

পাঠক মন্তব্য (টি মন্তব্য)

✓ আপনার মন্তব্য অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হবে ও সঞ্চিত থাকবে।

প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন

Sponsored Link