রাজনীতির নামে ধর্মীয় আবরণ ব্যবহার করে নতুন ধারা তৈরির চেষ্টা করা হলেও তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিষয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রচারণার অভিযোগ তুলেছেন।
শনিবার (৯ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান লিখেছেন, “রাজনীতির নামে ধর্মীয় ভণ্ডামি কখনোই নতুন রাজনীতি হতে পারে না।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘শহীদ ওসমান হাদী’কে কেন্দ্র করে এনসিপির বিভিন্ন অবস্থান ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে অসংগতি রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওসমান হাদী জীবিত অবস্থায় এনসিপির কয়েকটি কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু পরে তাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে।
রাশেদ খান তার পোস্টে লেখেন, ওসমান হাদী একসময় এনসিপিকে ঘিরে তিনটি অভিযোগ তুলেছিলেন বলে দাবি করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে জুলাই আন্দোলনকে এককভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা, দুর্নীতির অভিযোগ এবং বৃহত্তর ঐক্য নষ্ট হওয়ার বিষয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জীবিত অবস্থায় যেসব বক্তব্যের কারণে এনসিপির নেতারা তাকে এড়িয়ে চলতেন, মৃত্যুর পর তাকে রাজনৈতিকভাবে ‘আধ্যাত্মিক নেতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এমনকি মসজিদে গিয়ে স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকেও তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাশেদ খানের ভাষ্য, ওসমান হাদীর জনপ্রিয়তাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না—সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তার পূর্বের বক্তব্যগুলো বিশ্লেষণ করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, শহীদদের নিয়ে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ব্যবহার তাদের সার্বজনীন অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।


