বগুড়ায় লোকচক্ষুর আড়ালে হ্যাচিং (বাচ্চা না ফোটা) ও নষ্ট ডিম দিয়ে বেকারি পণ্য তৈরির দায়ে মায়ের দোয়া বেকারি কে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের বারোপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে দেখা যায়, বেকারিটি তাদের কেক, বিস্কুট ও পাউরুটি তৈরিতে হ্যাচিং ডিম ব্যবহার করছিল।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে বিপুল পরিমাণ ভাঙা ও নষ্ট ডিম পলিথিনে ভরে পরবর্তীতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে দেখা যায়। একই সাথে অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি এবং অন্য নামের প্রতিষ্ঠানের প্যাকেট ব্যবহার করে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করার প্রমাণ পায় অধিদপ্তর।
এসব অপরাধের সত্যতা মেলায় এবং প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মোঃ পারভেজ বিজয় দোষ স্বীকার করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে তাকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ হ্যাচিং ও লিকুইড ডিম জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
দণ্ডিত ম্যানেজার ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ আর করবেন না মর্মে মুচলেকা দেন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়ার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান। জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।


