দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, বাজারে আতঙ্ক ছড়ানোর কোনো কারণ নেই, সবার জন্য পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। তাই জনগণকে অযথা ভিড় না করে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে নিজ বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকি দিয়েই তেল আমদানি অব্যাহত রাখা হয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে গত দুদিন সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল। তবে সেটি সাময়িক, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি তেল আমদানি করা হচ্ছে। ফলে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। “সবাই তেল পাবে, তাই অপ্রয়োজনীয় মজুত বা আতঙ্ক সৃষ্টি না করে স্বাভাবিকভাবে তেল নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
এদিকে সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব জানিয়েছেন, তেলের সংকটকে কেন্দ্র করে বাজারে দাম বাড়ানোর যে চেষ্টা ছিল, তা সরকার সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
সময় সংবাদকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ঈদের আগে কিছুটা সংকট দেখা দিলেও সরকারের দ্রুত উদ্যোগে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। এতে ঈদযাত্রায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় তেল পাম্পগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগেও নেওয়া হয়েছিল, প্রয়োজনে আবারও নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস্ এবং পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ডিপোগুলো থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
তার ভাষ্য, “যেখানে তেল আছে, সেখানে পাম্প খোলা রাখা হচ্ছে; আর যেখানে নেই, সেখানে বন্ধ। তবে স্থায়ীভাবে পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।”


