বগুড়ার শেরপুরে মাহমুদুল হাসান (১৩) নামের এক স্কুলছাত্রকে বিবস্ত্র করে মারধর ও মাথার চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগে মোতালেব আলভী (১৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মার্চ দুপুরে উপজেলার খন্দকারটোলা এলাকায় খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র মাহমুদুলকে মোতালেব আলভীসহ ৬ জন কিশোর-যুবক মিলে আটক করে। একপর্যায়ে তাকে বিবস্ত্র করে বেদম মারধর এবং মাথার চুল কেটে দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
এই ঘটনার পর কিশোর মাহমুদুল হাসান শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাতে ওই কিশোরের বাবা জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে মামলার ২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মোতালেব আলভীকে গ্রেপ্তার করে। আলভী সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বেংনাই গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে শেরপুরের খন্দকারটোলা এলাকায় থেকে অনলাইনে পোশাকের ব্যবসা করে আসছিল।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, “নির্যাতনের ঘটনায় কিশোরের বাবার দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা বর্তমানে পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।”


