অন্বেষণ

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ বাংলা সংবাদ

Sponsored Link

নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েন

অন্বেষণ ডেস্ক
অন্বেষণ ডেস্ক
|
প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৬
|
পড়ার সময়: মিনিট
অক্ষরের আকার:

দেশজুড়ে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন সশস্ত্র অঙ্গীভূত আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার, দালালচক্রের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ, অনিয়ম প্রতিরোধ এবং রোগীদের জন্য নিরাপদ চিকিৎসা পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন আনসার সদস্যরা। একজন আনসার কমান্ডারের নেতৃত্বে তারা তিনটি শিফটে দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সকালে পাঁচজন, বিকেলে দুজন এবং রাতে দুজন সদস্য দায়িত্বে থাকবেন। হাসপাতালের প্রধান প্রবেশপথ, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাদের অবস্থান থাকবে।

Sponsored Link

জানা গেছে, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে ১ জুলাই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের ৫০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় পাঁচ হাজার সশস্ত্র অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়া হয়। সেই পরিকল্পনার আওতায় প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তাদের বেতন-ভাতার ব্যয় বহন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটনের নেতৃত্বে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবায় পরিবর্তন এসেছে। হাসপাতালের অবকাঠামো ও চিকিৎসাসেবা উন্নয়নে একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

Sponsored Link

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেনের সহযোগিতা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটনের উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সরকারি গাড়ি মেরামত, আইপিএস সংযোজন, ইসিজি মেশিন সচল, দীর্ঘদিন অচল থাকা আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন মেরামতসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পুনরায় চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, আগাছা পরিষ্কার এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। আনসার সদস্য মোতায়েনের ফলে হাসপাতালের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। একই সঙ্গে দালালচক্রের তৎপরতা ও বহিরাগতদের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

Sponsored Link

তিনি আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে বহিরাগতদের কারণে হাসপাতালের অভ্যন্তরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় রোগী, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আরও নিরাপদ পরিবেশে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ ও প্রদান করতে পারবেন। বিশেষ করে জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকায় যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলা সহজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Sponsored Link

Sponsored Link
ট্যাগসমূহ
Sponsored Link

পাঠক মন্তব্য (টি মন্তব্য)

✓ আপনার মন্তব্য অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হবে ও সঞ্চিত থাকবে।

প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন

Sponsored Link