অন্বেষণ

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ বাংলা সংবাদ

Sponsored Link

কুষ্টিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাত দলের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

অন্বেষণ ডেস্ক
অন্বেষণ ডেস্ক
|
প্রকাশিত: ২৩ মার্চ, ২০২৬
|
পড়ার সময়: মিনিট
অক্ষরের আকার:

অন্বেষণ ডেস্ক : কুষ্টিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় অস্ত্র ও গুলিসহ একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের তিন সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৩ মার্চ) ভোররাতের দিকে জেলার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর আখ সেন্টার জামে মসজিদের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ টহল দল ওই নির্দিষ্ট এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। ফলে গভীর রাতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ হওয়া সাত সদস্যের ওই সশস্ত্র দলটির পরিকল্পনা পুরোপুরি নস্যাৎ হয়ে যায়।

Sponsored Link

এই অভিযানের সময় পুলিশের আকস্মিক উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রটির চার সদস্য অন্ধকারে গা ঢাকা দিতে সক্ষম হয়। তবে পালানোর চেষ্টাকালে ঘটনাস্থল থেকেই বাকি তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গ্রেপ্তারকৃত এই তিন ব্যক্তি হলেন ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর কদমতল এলাকার সাজেদুল হক সান্টুর ছেলে সিয়াম সরদার (২৫) এবং ধরমপুর এলাকার খন্দকার শামীমের ছেলে তানভীর আলম হিমেল (২৭)।

Sponsored Link

তাদের অপর সহযোগী হলেন নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার চন্ডিগাছা গ্রামের সরোয়ার হোসেন কামালের ছেলে শামসুদ্দিন আহমেদ টেলু (২৬)। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় আগের কোনো অপরাধের রেকর্ড আছে কি না, তা যাচাই করে দেখছে পুলিশ।

অন্যদিকে, আটকের পর ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত এসব প্রাণঘাতী অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি সক্রিয় শুটার গান এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলি।

Sponsored Link

পাশাপাশি একটি ধারালো চাইনিজ চাপাতি, একটি লোহার পাইপ, অপরাধকাজে ব্যবহৃত একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার, একটি আইফোন ও এক বোতল মদ জব্দ করা হয়েছে। মূলত এই গাড়ি ব্যবহার করেই তারা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ডাকাতি করতে যেত।

উল্লেখ্য যে, ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান গণমাধ্যমকে এই সফল অভিযানের বিস্তারিত নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে আটককৃত তিন আসামিকে সোমবারই বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Sponsored Link

তবে চক্রের পালিয়ে যাওয়া বাকি চার সদস্যকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান। স্থানীয়দের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওই এলাকায় পুলিশের নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে ভেড়ামারা উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আতঙ্ক দূর হয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, পুলিশ এভাবেই তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

Sponsored Link
ট্যাগসমূহ
Sponsored Link

পাঠক মন্তব্য (টি মন্তব্য)

✓ আপনার মন্তব্য অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হবে ও সঞ্চিত থাকবে।

প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন

Sponsored Link