মায়ের সঙ্গে গঙ্গাস্নানে গিয়ে নিখোঁজ, দুই দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মায়ের সঙ্গে গঙ্গাস্নানে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া অপর্ণা সূত্রধর (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে তিতাস নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে মায়ের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে তিতাস নদীতে গঙ্গাস্নানে যায় অপর্ণা। এ সময় নদীতে ভিড় বেশি থাকায় হঠাৎ মায়ের হাত থেকে ছিটকে পড়ে স্রোতের পানিতে ভেসে যায় শিশুটি। এরপর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পরপরই ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে ডুবুরি দলও এসে তল্লাশি চালায়। তবে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়েও শিশুটির সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।
শনিবার সকালে নদীতে ভাসমান একটি স্তূপের পাশে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরে মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা শ্মশানঘাটে শিশুটির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
জাতীয়, আঞ্চলিক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)
বৃষ্টিতে গর্তে আটকে যানবাহন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট
মায়ের সঙ্গে গঙ্গাস্নানে গিয়ে নিখোঁজ, দুই দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে পিটিয়ে হত্যা
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইউএনও ফেরদৌস আরা
ঘুষ নেয়ার অভিযোগে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ প্রত্যাহার
ভারতের পাহাড়ি ঢলে আখাউড়ায় দুর্ভোগে ৫১১ পরিবার, আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিচ্ছেন অনেকে
শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি মেলা এখনো জীবন্ত
তিতাস নদীতে গঙ্গাস্নান উপলক্ষে পূণ্যার্থীদের ঢল
বিয়ে বাড়িতে গান-বাজনা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু
সমন্বয়ককে পেটানোর অভিযোগ আরেক সমন্বয়কের বিরুদ্ধে
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন