প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে কেপিআই ঘোষণা করল সরকার

রাজধানীর গুলশান এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে ওই বাসভবন ও এর আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন কেপিআই সংক্রান্ত কমিটির (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়।
জানা গেছে, বর্তমান প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত এ বাসভবন থেকেই রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদিত হচ্ছে। যদিও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেখানেই নিয়মিতভাবে অবস্থান করছেন না বলে জানা যায়।

বাসভবনটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (Special Security Force)-এর সমন্বয়ে পৃথক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (President Guard Regiment) সদস্যরা। তাদের সঙ্গে প্রশিক্ষিত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন।
নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার চারপাশে নিরাপত্তা বলয় আরও শক্তিশালী করা হবে। সীমানা প্রাচীরের উচ্চতা ন্যূনতম ১২ ফুট এবং তার ওপর আরও তিন ফুট উঁচু কাঁটাতারের নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থাপনের কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া ঝুঁকি বিবেচনায় আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি, ছবি তোলা কিংবা সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেপিআই স্থাপনার ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো উঁচু ভবন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কেপিআই স্থাপনার ২৫ মিটারের মধ্যে কোনো ধরনের নতুন নির্মাণকাজ করা যাবে না। পাশাপাশি আশপাশের বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এমন গাছপালা অপসারণের নির্দেশনাও রয়েছে।
সরকারি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নথি, তথ্য এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কন্যাশিশুর স্বপ্নপূরণে পরিবার ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে: রাষ্ট্রপতি

২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে ইউএস-বাংলার সব ফ্লাইট বাতিল

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ১২ অক্টোবর, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রচারের নির্দেশ

শিশুদের প্রশ্ন করার সুযোগ দিয়ে মেধা বিকাশের পথ তৈরি করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতির কাঠামো ধীরে ধীরে পরিবর্তন হবে: জাহেদ উর রহমান

‘আপনারা এক পা এগিয়ে এলে আমিও দুই পা এগিয়ে যাব’: রাষ্ট্রপতির

সীমিত আয়ের মানুষের জন্য মানসম্মত বাসস্থান নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের কাছে নির্বাচিত সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

