আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কায় বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী আতিক হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিদেশি রিভলভার, তাজা গুলি ও একাধিক দেশীয় অস্ত্র।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত শাজাহানপুর উপজেলার সাবরুল ইউনিয়নের বাগিনাপাড়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার আতিক হাসান (৩০) ওই এলাকার বাসিন্দা। সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, তিনি শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক ও আলোচিত সন্ত্রাসী নুরুজ্জামান নুরুর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এলাকায় সহিংসতা ও নাশকতার প্রস্তুতির গোপন তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় সেনাসদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে আতিক হাসান বাড়ির ছাদ টপকে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটকের পর তার হেফাজত থেকে একটি ব্রিটিশ ‘বুলডগ’ মডেলের ৯ এমএম রিভলভার, ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১০টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধার করা রিভলভারের ভেতরে চারটি গুলি লোড করা অবস্থায় ছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আতিক হাসান স্বীকার করেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো পলাতক নেতা নুরুজ্জামান নুরুর মালিকানাধীন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস কার্যক্রমে এসব অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বগুড়া সেনানিবাসের ৪০ বীর ব্রিগেডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর আহম্মেদ তমাল বলেন,
“নির্বাচনি পরিবেশ অস্থিতিশীল করতেই নুরু বাহিনীর সদস্যরা এসব অস্ত্র মজুত করেছিল। আমাদের অভিযানের মাধ্যমে বড় ধরনের নাশকতার আশঙ্কা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।”
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধার করা অস্ত্র ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি


