বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের জগন্নাথপাড়া এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা (স্থিতিবস্থা) অমান্য করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবীর মোহন্ত বল্টু বাদী হয়ে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনজনের নাম উল্লেখ করে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন, মৃত শুবল চন্দ্র দাসের ছেলে শুভ চন্দ্র দাস শোভন (৩২), মাখন লাল দাসের ছেলে শ্যামল চন্দ্র দাস (৬০) এবং মৃত শুবল চন্দ্র দাসের স্ত্রী জ্যোতিকা রানী দাস (৬৫)।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপাড়া এলাকার বাসিন্দা প্রবীর মোহন্ত বল্টুর সাথে অভিযুক্তদের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে ভুক্তভোগীর পিতা ২০২০ সালে বগুড়ার জেলা যুগ্ম জজ ১ম আদালতে একটি বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৫৬/২০২০)। উক্ত মামলায় আদালত বিবাদমান জমির ওপর স্থিতিবস্থা জারির আদেশ দেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, আদালতের সেই আদেশ অমান্য করে গত রবিবার অভিযুক্তরা জোরপূর্বক বিবাদমান জায়গায় ঘর নির্মাণ শুরু করেন। প্রবীর মোহন্ত বল্টু তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শুভ চন্দ্র দাস শোভন বলেন, “আদালতে বাটোয়ারা মামলাটি চলমান রয়েছে। আমি আমার সীমানার ভেতরেই ঘর করছি, অন্য কারো জায়গায় যাইনি। আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।”
শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইব্রাহিম হোসেন জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


