শেরপুরে দম্পতিকে রশি দিয়ে বেঁধে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট

বগুড়ার শেরপুরে গভীর রাতে এক কৃষকের বাড়িতে হানা দিয়ে দম্পতিকে রশি দিয়ে বেঁধে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে একদল দুর্বৃত্ত। শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী কৃষক রইছ উদ্দিন ও তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাত দেড়টার দিকে চার সদস্যের একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ঘরের তালা ও শিকল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তাদের হাতে লোহার রড ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র ছিল। ঘরে ঢুকেই তারা রইছ উদ্দিন ও তার স্ত্রী শেফালী বেগমকে রশি দিয়ে হাত বেঁধে ফেলে এবং ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
এরপর দুর্বৃত্তরা পাশাপাশি তিনটি ঘরে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে একটি স্বর্ণের কানের দুল, একটি রুপার মালা, একটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫ হাজার টাকা এবং পরিবারের ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল লুট করে। যাওয়ার সময় তারা পরিবারের সদস্যদের একটি ঘরে আটকে রেখে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন।

ভুক্তভোগী কৃষক রইছ উদ্দিন বলেন, “দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের হাত বেঁধে ফেলে। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তারা আমাদের মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।”
এ বিষয়ে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ অনুসন্ধান চলছে।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

শেরপুরে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দিল এলাকাবাসী

শেরপুরে পেয়ারা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

শেরপুরে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

শেরপুরে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র কমিটি গঠন ও এতিমদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

শেরপুরে বারোদুয়ারি হাটের ৬টি অবৈধ দোকান গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

শেরপুরে মহিলা অনার্স কলেজের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

শেরপুরে ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

শেরপুরে পুলিশি অভিযানে সাবেক ছাত্রনেতাসহ গ্রেপ্তার ৪

শেরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

