অন্বেষণ

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ বাংলা সংবাদ

Sponsored Link

ভারতে মন্দির থেকে কলা নেওয়ার অপরাধে মুসলিম যুবককে পিটিয়ে হত্যা

অন্বেষণ ডেস্ক
অন্বেষণ ডেস্ক
|
প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
|
পড়ার সময়: ১০ মিনিট
অক্ষরের আকার:

ভারতে একটি মন্দির থেকে কলা নেওয়ার অপরাধে এক মুসলিম যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৫ টার দিকে ভারতে নয়াদিল্লির সুন্দর নগরি এলাকায় গণেশ চতুর্দশী প্রার্থনা অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মো: ইশহাক (২২)। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির সুন্দর নগরী এলাকায় ইসহাকের বাড়ি এবং সেখান থেকে তিন লেনের দূরত্বে মন্দির প্রাঙ্গনে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

ইসহাকের বাবা মো: ওয়াজেদ বলেন, আমি সবকিছু হারিয়ে ফেলেছি, প্রসাদ বা ধর্মীয় নৈবেদ্য চুরি করার অভিযোগে একটি লোহার খুঁটির সাথে চামড়ার বেল্ট দিয়ে বেঁধে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে উৎসুক জনতা। সে প্রসাদ বা একটি ধর্মীয় নৈবেদ্য চুরি করেছে বলে সন্দেহ করে তাকে নির্দয়ভাবে মারধর করা হয়।

Sponsored Link

ইসহকের বোন উজমা বলেছেন তার ভাইকে একটি কলা নেওয়ার জন্য পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং নৃশংস হামলার পরে জনতা তাকে খুঁটির সাথে বেঁধে রেখে যায়। তাঁর নখ ভেঙে গেছে এবং আঙুল কেটে ফেলা হয়েছে। মুসলমান হওয়ার কারণে তাকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয়। তিনি কথা বলতে পারছিলেন না এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

ছবিতে নিহত ইসহাকের তিন বোন। ছবি : ইন্টারনেট।

উজমা বলেন, তাদের পাড়ার এক ছেলে ইসহাককে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে তুলে নিয়ে বাড়িতে আসে। আহত অবস্থায় কয়েক ঘণ্টা পর নিজের বাড়িতেই তিনি মারা যান। ইসহাকের পরিবার জানিয়েছে যে তারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মারা যাওয়ার পর তাদের এই ঘটনার কথা জানানো হয়।

Sponsored Link

হামলার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথে লোকজন পুলিশের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়, এরপর একটি হত্যা মামলা দায়ের করে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এলাকার পুলিশ কর্মকর্তা একটি ভিডিও বিবৃতিতে বলেছেন। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে একদল লোক চোর সন্দেহে তাকে থামিয়ে দেয় এবং তারপর তারা তাকে বেঁধে মারধর করে।

Sponsored Link

প্রতিবেশীদের মতে, ইসহাক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সে একজন সাধারণ ছেলে যে কারও কোনও ক্ষতি করেনি। তিনি বলেন, ইসাক গলির প্রত্যেককে তাদের বোঝা বহন করতে সাহায্য করতো। সে ভালো ছেলে ছিল। তিনি কখনও না বলেননি। আমরা তাকে এই কাজের জন্য ২০ বা ৫০ টাকা দিতাম।

ওয়াজিদ তার একমাত্র পুত্র হত্যার জন্য ন্যায়বিচার চান।

Sponsored Link

তিনি বলেন, আমরা এখনও পর্যন্ত পুলিশের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট। কিন্তু আমরা চাই যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তাদেরও একই পরিণতি হোক।

ট্যাগসমূহ
Sponsored Link

পাঠক মন্তব্য (টি মন্তব্য)

✓ আপনার মন্তব্য অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হবে ও সঞ্চিত থাকবে।

প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন

Sponsored Link