নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ! মুখ খুললেন অল্লু অর্জুন

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন দক্ষিণী সুপারস্টার অল্লু অর্জুন। শনিবার (১১ মে) স্ত্রী স্নেহা রেড্ডিকে নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের নান্দিয়ালে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে (ওয়াইএসআরসিপি) বিধায়ক রবি চন্দ্র কিশোর রেড্ডির বাড়িতে যান দক্ষিণী এই তারকা।
অভিনেতা অল্লু অর্জুনের উপস্থিতির কথা রটে যেতেই বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষেরা। নির্বাচনী আবহে আগাম অনুমতি ছাড়াই নান্দিয়ালে অন্ধ্রপ্রদেশের গিয়েছিলেন তারকা এই অভিনেতা। উত্তেজিত জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় পুলিশ প্রশাসনকে। এরপর অভিনেতা অল্লু ও বিধায়ক রবির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে স্থানীয় পুলিশ।
এ ব্যাপারে অল্লু অর্জুন বলেছেন, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন তিনি। অভিনেতা আরও বলেন, আমি নিরপেক্ষ এবং রাজনৈতিক পরিচিতি নির্বিশেষে সাধারণ মানুষকে সমর্থন করি। আমার চাচা পবন কল্যাণের সমর্থনে সবসময় আমি তার পাশে আছ। শ্বশুরমশাই মি. রেড্ডি এবং বন্ধু রবির পাশেও আছি আমি।

বন্ধু রবিকে নির্বাচনে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অল্লু অর্জুন। কিন্তু গতবার সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেননি তিনি। তার কথায়, এ বার অন্তত সেই প্রতিশ্রুতির কথা রাখতে নান্দিয়ালে গিয়েছিলাম।
এর আগে, হায়দ্রাবাদে ভোট দেওয়ার সময় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন দক্ষিণী এই তারকা। নির্বাচন নিয়ে সচেতনতা প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখার পাশাপাশি স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি নিরপেক্ষ মনোভাব পোষণ করেন তিনি।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

বিয়েটা আর করতে হলো না: আর্জেন্টিনার হারে পরীমণি

আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেবে রাষ্ট্র?: ৪ বছর পর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পরীমনি

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

ঢাকায় শেষ মুহূর্তে স্থগিত অনুপম রায়ের কনসার্ট

পুত্রের পর এবার কন্যাসন্তানের মা হলেন বুবলী

চ্যানেল আইয়ের বিশেষ সম্মাননায় স্বর্ণের কলস পেলেন অপু বিশ্বাস

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগন’ কি ১৯ জুনেও মুক্তি পাচ্ছে না?

বিয়ের পাত্র খুঁজে পাচ্ছেন না অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন

বিলুপ্তির পথে আড়াইশ বছরের সার্কাস শিল্প! কেন ধুঁকছে বাংলার এই আদি লোকজ ঐতিহ্য?

