পরিবেশের টেকসই উন্নয়নে একযোগে কাজ করার আহ্বান মাহদী আমিনের

অন্বেষণ ডেস্ক : পরিবেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের সকল স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
‘বৃক্ষ রোপণে এনজিওর ভূমিকা’ শীর্ষক ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা ও বাসযোগ্য সুন্দর পৃথিবী গড়তে এমন আয়োজনের প্রশংসাও করেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, পরিবেশ রক্ষা এবং এর টেকসই উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কখনোই পুরোপুরি সম্ভব নয়। এর জন্য সরকার, বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও এবং সাধারণ মানুষকে একযোগে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা যাবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করছে। নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ রক্ষা, বনায়ন ও সবুজায়নের যে প্রতিশ্রুতিগুলো দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, দীর্ঘ দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দুই শতাধিক এনজিও প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। মূলত দেশের পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে সেখানে বিশদ আলোচনা হয়।
উপস্থিত এনজিও প্রতিনিধিরা পরিবেশ রক্ষায় নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করেন। আগামীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোন সংস্থা ঠিক কী পরিমাণ বৃক্ষরোপণ করবে, সে বিষয়ে সভায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন প্রতিনিধি নিজ নিজ ঘোষণা প্রদান করেন।
ফলে, সরকারি ও বেসরকারি খাতের এমন যৌথ উদ্যোগ দেশের ব্যাপক সবুজায়নে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে এনজিওগুলোর এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বেশ প্রশংসনীয়।
উল্লেখ্য যে, সরকারের প্রতি দেশের আপামর জনসাধারণের ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, জনগণের সেই বিপুল প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পরিশেষে, পরিবেশের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে এই ধরনের গঠনমূলক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের এমন সুসমন্বিত পদক্ষেপ আগামীতে দেশের সার্বিক পরিবেশ রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সরকারি দিকনির্দেশনার পাশাপাশি এনজিওগুলোর এই ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে তা দেশের সার্বিক পরিবেশ সুরক্ষায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার সঙ্গে অন্য কোনো ভাতার তুলনা চলে না: ফজলুর রহমান

গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ও হাসিনা, গেছোস কি না ভুইলা আমারে?: শেখ হাসিনাকে ব্যঙ্গ করে আম্মারের গান

জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের ৫ম চালান

জাতীয় চার নেতার নামে থাকা পাঁচ জাহাজের নাম পরিবর্তন

মরিশাসে কাচের বাক্সের নিচে চাপা পড়ে ৩ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

শেখ হাসিনা সংবিধান থেকে আল্লাহর প্রতি আস্থা বাদ দিয়েছিলেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়বে সরকার: স্পিকার

