‘নোবেল শান্তি পুরস্কার আমারই পাওয়া উচিত’: দাবি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং ইউক্রেন সংকট সমাধানে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না মিললেও ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার নিজেরই পাওয়া উচিত বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে শেষ পর্যন্ত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তার ঝুলিতে উঠবে কি না, তা নিয়ে নিজেই সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।
গত বুধবার (৭ অক্টোবর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, নোবেল কমিটি কী সিদ্ধান্ত নেবে তা তার জানা নেই। আগামী শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের ঘোষণা করবে। ট্রাম্পের দাবি, নোবেল কমিটির ‘তার মতো মানুষকে’ পুরস্কার না দেওয়ার এক ধরনের পরিচিতি বা সুনাম রয়েছে। হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় মেয়াদে ফিরে আসার পর থেকেই তিনি বারবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি নিজের প্রাপ্য বলে দাবি করে আসছেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘এখন সেই সময় এসেছে।’ এ সময় তিনি গতবারের পুরস্কার বিজয়ীর কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই ব্যক্তি পরোক্ষভাবে বলেছিলেন যে ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে এই পুরস্কারের বেশি যোগ্য আর কেউ নেই, যা তাকে অত্যন্ত সম্মানিত করেছে।
এর আগে, গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পকে দিয়েছিলেন। ভেনেজুয়েলায় নিজের রাজনৈতিক লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চাওয়ার অংশ হিসেবে তিনি এটি করেছিলেন।
ট্রাম্পের দাবি, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তত আটটি সংঘাতে হস্তক্ষেপ করার কারণেই নোবেল শান্তি পুরস্কার তার পাওয়া উচিত। কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা তাকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছেন বলেও তিনি জানান। তবে এসব মনোনয়নের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ট্রাম্প যেসব সংঘাত সমাধানের দাবি করেছেন, সেগুলোর কয়েকটিতে তার কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিছু অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে, যার মধ্যে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের পরিস্থিতি অন্যতম। এছাড়া, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা থামাতে পারেননি তিনি।
অন্যদিকে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সাত মাস ধরে চলা সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা দিয়েছে এবং গ্যাসের দাম বাড়িয়ে তুলেছে। আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

চাপ দিয়ে লংমার্চ থামানো যাবে না, সিদ্ধান্ত ইমরান খানের হাতে: ইউসুফজাই

ইউক্রেনে ভারতীয় মালিকানাধীন ওষুধ কারখানায় রুশ ড্রোন হামলা, নিহত ১

নভেম্বরে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পৌঁছেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

সার্কিট হাউসে নামাজ পড়ার অভিযোগে ভারতের সমাজবাদী পার্টি নেতার বিরুদ্ধে মামলা

নেপালে হিমবাহধসের ১০ দিন পর সুড়ঙ্গ থেকে চীনা নাগরিক জীবিত উদ্ধার

ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ দাবি নেপালের

এসসিও সম্মেলনের যৌথ ছবি থেকে মোদিকে বাদ দিলেন শেহবাজ শরীফ

দেশের বাইরে বিয়ে না করতে আহ্বান জানালেন নরেন্দ্র মোদি

