আম বিক্রি থামাতে জামায়াত-শিবিরের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তারেক রহমানের

অন্বেষণ ডেস্ক : আমজনতার দলের সদস্য সচিব মোঃ তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন যে, তার আম বিক্রি থামাতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। শনিবার (১৬ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিস্তারিত পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
ফেসবুকে প্রকাশিত ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে তিনি ক্রমাগত ফোন কল ও মেসেজের মাধ্যমে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন এই নেতা।
তিনি অভিযোগ করেন, এর আগেও তার সৎ উপায়ে পরিচালিত আমের ব্যবসার বিরুদ্ধে অন্তত তিন দফায় অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তবে সেই চেষ্টাগুলো ব্যর্থ হওয়ায় এখন এ ধরনের অভিনব সাইবার হয়রানির পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তারেক রহমান তার পোস্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “জামাতিদের নতুন ষড়যন্ত্র বিভিন্ন গ্রুপ পেজে আমার নাম্বার টা দিয়ে হয়রানি করছে। ৩ দফায় ষড়যন্ত্র করে বিক্রি থামাতে না পেরে এগুলো করছে রাজাকারদের উত্তরসূরীরা।”
অন্যদিকে, বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক বা আদর্শিক বিরোধের জেরে এ ধরনের অনলাইন হয়রানি খুব সাধারণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে একজন পরিচিত রাজনীতিবিদের ব্যক্তিগত মৌসুমী ব্যবসার ওপর এমন প্রত্যক্ষ আক্রমণের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
এসব অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানি ও অপপ্রচার সত্ত্বেও তিনি নিজের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে অত্যন্ত দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি তার নিয়মিত গ্রাহক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সরাসরি তার সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে।
ক্রেতাদের সহজ যোগাযোগের সুবিধার্থে তিনি তার পোস্টে আরও লেখেন, “যারা আম নেবেন, সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ এ মেসেজ করবেন। এই সময়ের সেরা হিমসাগর আম গুলো দেব ইনশাআল্লাহ।” এর মাধ্যমে তিনি তার ব্যবসায়িক সততা ও ক্রেতাদের প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন।
উল্লেখিত গ্রীষ্মকালীন ফলের এই ভরা মৌসুমে অনলাইনে বিশেষ করে হিমসাগর আমের ব্যাপক চাহিদা থাকে। এই ব্যাপক চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে সফলভাবে আমের ব্যবসা করছেন, এবং মোঃ তারেক রহমানও এর ব্যতিক্রম নন।
তবে শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সাধারণ ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এমন পরিকল্পিত বাধার সম্মুখীন হওয়াকে সচেতন নাগরিকরা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। যদিও এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী বা শিবিরের কোনো পর্যায়ের নেতার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখন পর্যন্ত গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পোস্টের একেবারে শেষে তিনি তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটি উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, যাতে প্রকৃত ক্রেতারা কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছাড়াই সরাসরি তার কাছ থেকে ভেজালমুক্ত হিমসাগর আম সংগ্রহ করতে পারেন।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছয় দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ, যানজট শঙ্কায় ক্ষমা চাইলেন পরওয়ার

আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি দখলের অভিযোগে বিএনপি নেতা বহিষ্কার

ওমরাহ পালন করলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কপালে চুমু দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত এমপি মুজিবুর

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন কে, জানাল আইন মন্ত্রণালয়

স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেলেন দীপু মনি

আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায় মারা গেছেন

