দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম। সবশেষ কয়েক দফা সমন্বয়ের মধ্যে তিনবারই দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর মধ্যে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম বেড়েছে মোট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন করে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাজুস। এবার প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। নতুন এই দাম বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দামে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।
এর আগে গত ১০ মার্চও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। একই সময়ে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বেড়েছে এবং কমেছে ১৪ বার। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি বেড়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।
নতুন দামে ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যরেটের ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২৫ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বার দাম বেড়েছে এবং ৯ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার—যেখানে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।


