কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের ভিড় আর উদ্বেগ থাকলেও ভেতরে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা।
বগুড়ার শেরপুরে এবারই প্রথম প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রথম দিনে উপজেলার ১০টি কেন্দ্রে মোট ৭৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর শেরপুর উপজেলায় মোট ৪ হাজার ১৪১ জন পরীক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ৩০৯ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৮৩২ জন। মঙ্গলবার প্রথম দিনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪ হাজার ৬৬ জন। অনুপস্থিত ৭৫ জনের মধ্যে ছাত্র ৪১ জন এবং ছাত্রী ৩৪ জন।
উপজেলার নির্ধারিত ১০টি কেন্দ্র হলো, শেরপুর সরকারী ডি.জে মডেল হাইস্কুল, শেরপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সীমাবাড়ী সেতারা রব্বানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মজিবর রহমান মজনু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাপুনিয়া মহাবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, ছোনকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুর শহিদীয়া আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসা, উলিপুর আমেরিয়া সমতুল্যা মহিলা কামিল মাদ্রাসা, ধনকুন্ডি আয়েশা মওলা বক্স দাখিল মাদ্রাসা এবং শালফা টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একজন করে তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে কক্ষগুলো পর্যবেক্ষণ করায় এবার পরীক্ষা গ্রহণে স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে পরীক্ষা চলাকালীন বিভিন্ন কেন্দ্রের সামনে দেখা গেছে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। সন্তানদের পরীক্ষা নিয়ে সকালেই তাদের মধ্যে কিছুটা দুশ্চিন্তা থাকলেও, পরীক্ষা শেষে হাসিমুখে শিক্ষার্থীদের বের হতে দেখে অভিভাবকরা স্বস্তি প্রকাশ করেন। অভিভাবকরা জানান, প্রশ্নপত্র ভালো হওয়ায় হওয়ায় এবং কেন্দ্রের পরিবেশ ভালো থাকায় শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পেরেছে


