হ্যাঁ-না ভোটের সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে: মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, হ্যাঁ ভোট কিংবা না ভোট—এ বিষয়ে জনগণের ওপরই সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো ধরনের জোরাজুরি বা চাপ প্রয়োগের সুযোগ নেই।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও বাজার এলাকায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মির্জা আব্বাস বলেন, আচরণবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে—কারও বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বা উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। কিন্তু বাস্তবে সেটি মানা হচ্ছে না। তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত আক্রমণ ও মিথ্যাচার করা হচ্ছে, অথচ অন্য কাউকে টার্গেট করা হচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে নজর দেওয়া নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। অভিযোগ জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না কেন—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ভোটার তালিকা নিয়েও অসঙ্গতির অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস। তাঁর দাবি, এলাকায় মোট ২ লাখ ৮০ হাজার ভোটারের তালিকায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, যদি এসব ভোটারের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের উচিত তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া। তা না হলে প্রকৃত ফলাফল পাওয়া যাবে না।
নারী বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি স্বাধীনতাবিরোধী দলের শীর্ষ নেতা কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য করেছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, ধর্ম কোথাও নারীদের কাজ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়নি; বরং নারীদের সমঅধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্যের তিনি তীব্র নিন্দা জানান এবং নারী সমাজকে এসব দলের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, গণমাধ্যম অতীতে বিএনপির বিরুদ্ধেও সমালোচনা করেছে, কিন্তু দল কখনো বাধা দেয়নি। কারণ বিএনপি গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তিনি অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তি যেভাবে গণমাধ্যমকে আক্রমণ করছেন, তা কার্যত হুমকির শামিল। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধ বা সাম্প্রতিক আন্দোলন হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হ্যাঁ ভোট বা না ভোট প্রসঙ্গে আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মির্জা আব্বাস বলেন, কোনো একটি পক্ষ থেকে ভয় দেখানো হচ্ছে—হ্যাঁ ভোট না দিলে কী করা হবে। তিনি বলেন, এটি কোনো নির্বাচনী ভাষা নয়; এটি এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী মনোভাব। জনগণ যেটা ভালো মনে করবে, সেটাই করবে—এটাই গণতন্ত্রের মূল কথা।
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

গাজী নজরুলের এমপি পদ বাতিল হবে কি না, যা বললেন ইসি মাছউদ

সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খান

জয়পুরহাট জেলা এনসিপির আহ্বায়কের পদত্যাগ

আমরা সংস্কার নয়, সংবিধান সংশোধনের কথা বলেছি: মির্জা ফখরুল

ঋণখেলাপি বলে আমাকে জাতির কাছে ছোট করা হয়েছে: সংসদে সরোয়ার আলমগীর

ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব ছাড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিনের মৃত্যুতে সোমবার দেশব্যাপী শোক দিবস ঘোষণা বিএনপির

একটু আস্তে কথা বলুন বললেন ডেপুটি স্পিকার

১৪ জুলাই বগুড়ায় আসছেন নাসির পাটওয়ারী ও সারজিস আলম

