বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বড় আখিড়া গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে আদমদীঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। মামলায় একই গ্রামের আতোয়ার সাখিদারের ছেলে মো. পিনটুকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৫ জুন সকালে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাড়ির পাশে একটি নির্মাণকাজে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিলেন। একই সময়ে অভিযুক্ত পিন্টু তাদের বাড়িতে টোপা তৈরির কাজ করছিলেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটি বাড়িতে ফিরলে তাকে কৌশলে তার বৃদ্ধা দাদির ঘরে ডেকে নেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, ঘরের ভেতরে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় এবং একপর্যায়ে তাকে বিবস্ত্র করা হয়। এ সময় শিশুটির বাবা বাড়িতে ফিরে মেয়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে যান। পরে ঘরে প্রবেশ করলে তিনি মেয়েকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পিন্টু এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
শিশুটির বাবার অভিযোগ, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মামলা না করতে চাপ দেন। তবে পরে তিনি থানায় গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


