রাজশাহীতে একসঙ্গে ৪ মেয়ে নবজাতকের জন্ম দিলেন মা

রাজশাহীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে একসঙ্গে ৪ মেয়ে শিশুর জন্ম দিয়েছেন এক মা। জন্মের পর সুস্থ আছে মা’সহ ৪ জন শিশু। তবে মাত্র ৭ মাস বয়সে পৃথিবীর আলো দেখেছে ওই ৪ নবজাতক। এ জন্য তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ২৬ নং ওয়ার্ডে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
সদ্য জন্ম নেয়া ৪ মেয়ে শিশুকে দেখাশোনা করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। রামেক হাসপাতালে ফুটফুটে সেই ৪ শিশুদের দেখতে ভীড় করছেন অন্যান্য ওয়ার্ডের রোগীর স্বজনেরা।
জানা গেছে, রাজশাহীর ধরমপুর পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মো: পলাশ আলী ও সোনিয়া খাতুন দম্পতির বিয়ের প্রায় ৬ বছর পর একসাথে ৪ জন মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। দরিদ্র পিতা পলাশ আলী পেশায় একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী। তাই এই সন্তানদের ভরণপোষণের বিষয়টি নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এজন্য তারা সমাজের বিত্তবানদের কাছ থেকে সহযোগিতা কামনা করেছেন।

রাজশাহীতে একসঙ্গে ৪ নবজাতকের জন্মের নিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক মো: ওসীফ ইকবাল। তিনি জানিয়েছেন, ৪টি বাচ্চা অনেক আগে জন্ম নেয়ার কারণে এখনো শঙ্কামুক্ত নয়।
এর আগে, গত শুক্রবার (১৪ জুন) সন্ধ্যার দিকে পেটে ব্যথা শুরু হলে সোনিয়া খাতুনকে প্রথমে রাজশাহীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা সংকটাপন্ন হলে সেই সময় তাকে সিজারিয়ান করে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা। বর্তমানে মা সোনিয়াসহ ৪ নবজাতক রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পাঠক মন্তব্য (০টি মন্তব্য)
প্রথম পাঠক হিসেবে মতামত দিন
সর্বশেষ সংবাদের আপডেট পান
ইমেইল নিউজলেটার ফিচারটি শীঘ্রই চালু হবে।
শীঘ্রই আসছে
পঠিতব্য আরও খবর (আপনাদের জন্য প্রস্তাবিত)

সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে ২০ অক্টোবর রংপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, কোনো দল বা ব্যক্তির নন: সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি

ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী টুকু

সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কন্যাশিশুর স্বপ্নপূরণে পরিবার ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে: রাষ্ট্রপতি

২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে ইউএস-বাংলার সব ফ্লাইট বাতিল

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ১২ অক্টোবর, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রচারের নির্দেশ

শিশুদের প্রশ্ন করার সুযোগ দিয়ে মেধা বিকাশের পথ তৈরি করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

