বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নুরনবী মন্ডলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না, সে বিষয়ে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদের পরপর তিনটি মাসিক সভায় অনুপস্থিত ছিলেন নুরনবী মন্ডল।
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত ২১ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কেন তাকে স্থায়ীভাবে পদ থেকে অপসারণ করা হবে না, সে বিষয়ে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বগুড়া জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জবাব দিতে হবে।
সুঘাট ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু হাসান বলেন, ‘নুরনবী মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদের কার্যক্রমে অনুপস্থিত থাকায় উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিটন কুমার দত্ত ৪ মে বরখাস্তের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া
বর্তমানে চলমান রয়েছে।


